ইয়েমেনের সংঘাত নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কবার্তা
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
০৭-১০-২০২৬ ০৪:২৭:২১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৭-১০-২০২৬ ০৪:২৭:২১ অপরাহ্ন
ইয়েমেনে সংঘাতের তীব্রতা বাড়ায় এর ‘ধ্বংসাত্মক প্রভাব’ নিয়ে সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেডরস আধানম গেব্রেইয়েসুস। তিনি বলেছেন, সংঘাতের নতুন ধাপে দেশটিতে হতাহত ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে টেডরস বলেন, ইয়েমেনে সংঘাতের তীব্রতা ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। তিনি জানান, কলেরা ও হামের প্রাদুর্ভাবের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সংঘাতে প্রায় ১ হাজার মানুষ নিহত, ৪ হাজার ২০০-এর বেশি আহত এবং প্রায় ১ লাখ ৯৮ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
টেডরস বলেন, প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যাওয়ায় ইয়েমেনে জরুরি স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তহবিলের চাহিদা ৯ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩১ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তিনি দাতাদের জরুরি ভিত্তিতে সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানবিক ও স্বাস্থ্যসেবা সহায়তার ওপর মানুষের জীবন নির্ভর করছে।
দীর্ঘদিনের সংঘাত
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হুথি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা ও দেশটির বেশ কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ইয়েমেনে সংঘাত তীব্র হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সমর্থনে ২০১৫ সালের মার্চে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।
২০২২ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইয়েমেনে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। তবে পরবর্তী সময়ে সংঘাত আবারও তীব্র হয়ে ওঠে এবং জুলাই থেকে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সেপ্টেম্বরে লড়াই আরও জোরদার হলে হুথিরা আল-হুদাইদাহ ও তাইজ প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়। এর মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মোখা শহর এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালীর কাছে অবস্থিত মায়ুন দ্বীপও রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও মানবিক পরিস্থিতির ওপর আরও চাপ তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে ডাব্লিউএইচও। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স